fbpx
শিরোনাম:
নবীনগরে শিল্পপতি রিপন মুন্সির স্বপ্নের ফার্মে ঘুরে দাঁড়ালো ৫০০ অসহায় পরিবার নবীনগরে বিএনপির অপপ্রচার ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সম্পৃতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত। নবীনগরে ব্যারিষ্টার জাকির আহাম্মদ কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেবে রাশিয়া বিয়ের পরদিন মেঘনায় ভাসছিল যুবকের মরদেহ প্রেমের টানে এবার জয়পুরহাটে শ্রীলঙ্কান যুবক ইডেনের বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রীরা কৃষিমন্ত্রীর বাসায় এবার গোপনে নয়, আয়োজন করে বিয়ে করবেন শাকিব ৩ স্ত্রী থাকার পরও কিশোরীকে বিয়ের প্রস্তাব, রাজি না হওয়ায় অপহরণ ইভ্যালির সার্ভার খুলছে শিগগিরই, অনলাইনে চালু হবে কেনাবেচা
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ০৭:২৯ অপরাহ্ন

স্ত্রীর করা মামলায় পুলিশ কর্মকর্তার কারাদণ্ড

প্রতিনিধির / ১৭৪ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০২২
স্ত্রীর করা মামলায় পুলিশ কর্মকর্তার কারাদণ্ড
স্ত্রীর করা মামলায় পুলিশ কর্মকর্তার কারাদণ্ড

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগে করা মামলায় চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শামসুদ্দোহাকে (৪০) আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক প্রদীপ কুমার রায় এ রায় দেন।

এ সময় পুলিশ পরিদর্শক মো. শামসুদ্দোহা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহ মো. আবু জাফর  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ পরিদর্শক মো. শামসুদ্দোহা গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার পশ্চিম গোপীনাথপুর গ্রামের নুরুদ্দিন আহম্মেদের ছেলে। তিনি পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানায় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে কর্মরত। এর আগে নারী নির্যাতন দমন আইনে তার স্ত্রী ফারজানা খন্দকারের করা মামলায় তাকে ঢাকার রাজাবাজার থেকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রসঙ্গত, স্ত্রী ফারজানা বাদী হয়ে গত ০৯ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় শামসুদ্দোহাকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার রাজাবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে গুলশান থানা পুলিশ। পরদিন ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে শামসুদ্দোহাকে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় আনা হয় ও বিচারের জন্য ফরিদপুরের আদালতে পাঠানো হয়।

ফারজানা খন্দকারের ২০১৫ সালের ০৭ আগস্ট পারিবারিকভাবে শামসুদ্দোহার সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৯ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত তিনি ফরিদপুরে বাবার বাড়িতেই থাকতেন। ওই বছরের নভেম্বর মাসে সামসুদ্দোহা তাকে তার কর্মস্থল যশোরে নিয়ে যান। সেখানে ভাড়া বাসায় ওঠেন।

যশোরে যাওয়ার কয়েক দিন পর থেকেই স্বামীর আচরণে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করেন স্ত্রী। ওই সময় স্ত্রী ফারজানা জানতে পারেন, অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত শামসুদ্দোহা। এ ব্যাপারে তিনি বাধা দিলে ওই সময় থেকেই তার ওপর নির্যাতন শুরু হয়।

এর কিছুদিন পর শামসুদ্দোহা প্রমোশনের জন্য ৭০ লাখ টাকা বাবার কাছ থেকে এনে দিতে বলেন। তিনি ১৫ লাখ টাকা এনেও দেন, কিন্তু সে তাতে খুশি হয়নি। এরপর নির্যাতন বাড়তে থাকে।

শামসুদ্দোহা প্রতিদিন নেশা করে মারপিট করতেন বলে দাবি করেন তার স্ত্রী। ওই সময় সে সেখান থেকে বাবার বাড়ি চলে আসেন। তখন স্ত্রী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বাবার বাড়িতেই ছেলে সন্তানের মা হন। সন্তানের বয়স এখন দুই বছর।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Recent Comments

No comments to show.