fbpx
শিরোনাম:
নবীনগরে শিল্পপতি রিপন মুন্সির স্বপ্নের ফার্মে ঘুরে দাঁড়ালো ৫০০ অসহায় পরিবার নবীনগরে বিএনপির অপপ্রচার ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সম্পৃতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত। নবীনগরে ব্যারিষ্টার জাকির আহাম্মদ কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেবে রাশিয়া বিয়ের পরদিন মেঘনায় ভাসছিল যুবকের মরদেহ প্রেমের টানে এবার জয়পুরহাটে শ্রীলঙ্কান যুবক ইডেনের বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রীরা কৃষিমন্ত্রীর বাসায় এবার গোপনে নয়, আয়োজন করে বিয়ে করবেন শাকিব ৩ স্ত্রী থাকার পরও কিশোরীকে বিয়ের প্রস্তাব, রাজি না হওয়ায় অপহরণ ইভ্যালির সার্ভার খুলছে শিগগিরই, অনলাইনে চালু হবে কেনাবেচা
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন

সরকারি স্কুলের ক্লাসরুম ভাড়া দিয়ে লাপাত্তা শিক্ষকরা!

প্রতিনিধির / ২০৭ বার
আপডেট : রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২
সরকারি স্কুলের ক্লাসরুম ভাড়া দিয়ে লাপাত্তা শিক্ষকরা!
সরকারি স্কুলের ক্লাসরুম ভাড়া দিয়ে লাপাত্তা শিক্ষকরা!

একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস-রুম বাইরের জেলা থেকে ধান কাটতে আসা শ্রমিকদের কাছে ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই স্কুলের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) থেকে ভাড়া দিয়ে স্কুলের দুটি ক্লাসরুমে থাকছেন শ্রমিকরা। ভাড়া নেওয়া শ্রমিকরা জানিয়েছেন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা তাদের কাছে দুটি কক্ষ ভাড়া দিয়েছেন। প্রতিরাতে ভাড়া ৫০০ টাকা।

এদিকে, স্কুলের শ্রেণিকক্ষ ভাড়া দিয়ে লাপাত্তা শিক্ষক-কর্মচারীরা। তিনদিন আগে স্কুলে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হলেও তা এখনো নামানো হয়নি। এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে বরগুনা সদর উপজেলার দক্ষিণ-পূর্ব হেউলিবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে।

শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে বিদ্যালয়ের সামনের খুঁটিতে পতাকা টাঙানো। টিন দিয়ে ঘেরা দুটি শ্রেণিকক্ষে আলো জ্বলছে। সেখানে এগিয়ে গিয়ে দেখা যায়, বেঞ্চ, টেবিল-চেয়ার সরিয়ে রেখে কক্ষের মেঝেতে বিছানা বিছিয়ে শুয়ে আছেন কয়েকজন ধানকাটা শ্রমিক। তাদের মধ্যে একজন মোকলেসুর রহমান। তিনি জানান, ধানটাকা মেশিন নিয়ে তারা সিরাজগঞ্জ থেকে বরগুনায় এসেছেন। বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় মজুরিভিত্তিকে ধান কাটার কাজ করছেন তারা।

মোকলেসুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) হেউলিবুনিয়া এলাকায় ধান কাটতে আসি আমরা। এলাকায় থাকার জায়গা না পেয়ে স্কুলের শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলি। শিক্ষকরা আমাদের দুটি রুমে থাকার জন্য ভাড়া দিয়েছেন। প্রতিরাতে ৫০০ টাকা করে দিয়েই স্কুলের রুমে থাকছি।

এ বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আসমা বেগম বলেন, মানবতার দিক বিবেচনা করেই শ্রমিকদের স্কুলে থাকতে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পতাকা না নামানোর বিষয়ে তিনি বলেন, স্কুলের অফিস সহকারীকে আমি বৃহস্পতিবার পতাকা নামাতে বলেছি। তিনি হয়তো ভুলে পতাকাটি নামাননি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (দায়িত্বপ্রাপ্ত) মফিজ উদ্দিন বলেন, স্কুলের ক্লাসরুম ভাড়া দেওয়াটা অন্যায়। জাতীয় পতাকা প্রতিদিন সঠিক সময়ে ওঠানো ও নামানোর কথা। কেন তারা এমনটা করেছেন, তা খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Recent Comments

No comments to show.