শিরোনাম:
নবীনগরে শিল্পপতি রিপন মুন্সির স্বপ্নের ফার্মে ঘুরে দাঁড়ালো ৫০০ অসহায় পরিবার নবীনগরে বিএনপির অপপ্রচার ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সম্পৃতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত। নবীনগরে ব্যারিষ্টার জাকির আহাম্মদ কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেবে রাশিয়া বিয়ের পরদিন মেঘনায় ভাসছিল যুবকের মরদেহ প্রেমের টানে এবার জয়পুরহাটে শ্রীলঙ্কান যুবক ইডেনের বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রীরা কৃষিমন্ত্রীর বাসায় এবার গোপনে নয়, আয়োজন করে বিয়ে করবেন শাকিব ৩ স্ত্রী থাকার পরও কিশোরীকে বিয়ের প্রস্তাব, রাজি না হওয়ায় অপহরণ ইভ্যালির সার্ভার খুলছে শিগগিরই, অনলাইনে চালু হবে কেনাবেচা
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন

বোনকে খুনের দায়ে ভাইয়ের আমৃত্যু কারাদণ্ড

প্রতিনিধির / ১২৭ বার
আপডেট : সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০২২
বোনকে খুনের দায়ে ভাইয়ের আমৃত্যু কারাদণ্ড
বোনকে খুনের দায়ে ভাইয়ের আমৃত্যু কারাদণ্ড

জামালপুরের-সরিষা-বাড়িতে ১৬মাসের বোনকে হত্যা মামলায় ভাই ইন্দ্রজিৎ ঘোষকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং বিষ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন সিনিয়র দায়রা জজ আদালত।
রোববার (২১ আগস্ট ২০২২) দুপুরে আসামির উপস্থিতিতে জামালপুর আদালতের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ‘মো. জুলফিকার আলী খান’ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন তিনি।

মামলার বিবরণে জানা যায়, জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার শিমলা গোপিনাথ গ্রামের পরিতোষ চন্দ্র ঘোষের ছেলে ইন্দ্রজিৎ ঘোষ তার বোন বড় হয়ে বাবার সম্পত্তিতে ভাগ বসাবে- এমন ভাবনা থেকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

২০১৭ সালের ২৩ জানুয়ারি রাত ৩টায় তার ১৬ মাস বয়সী বোন প্রাপ্তি ঘোষকে ঘুমন্তাবস্থায় বিছানা থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে সরিষাবাড়ি বাস টার্মিনাল এলাকায় হত্যা করে মৃতদেহ পানাযুক্ত আবর্জনায় ফেলে দেয়। বোনকে হত্যার পর বাড়িতে ফিরে তার বোন বিছানায় নেই বলে চিৎকার শুরু করে।

পরিবারের লোকজন প্রাপ্তিকে না পেয়ে সরিষাবাড়ি থানা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ সদস্যরা পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে কথা বলে ভাই ইন্দ্রজিৎকে সন্দেহ করে। ইন্দ্রজিৎকে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বোন প্রাপ্তিকে হত্যার কথা স্বীকার করে সে। পরে তার দেয়া তথ্য মতে, পানাযুক্ত আবর্জনা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে প্রাপ্তির বাবা পরিতোষ ঘোষ বাদী হয়ে ছেলে ইন্দ্রজিৎ এবং ইন্দ্রজিতের মামাশ্বশুর আনন্দ মহন্তকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

এদিকে মামলার তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। এরপর ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। সবশেষ রোববার আসামির উপস্থিতিতে এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। অপর আসামি আনন্দ মহন্তর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলা থেকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট নির্মল কান্তি ভদ্র এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়ন্ত কুমার দেব।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Recent Comments

No comments to show.