শিরোনাম:
নবীনগরে শিল্পপতি রিপন মুন্সির স্বপ্নের ফার্মে ঘুরে দাঁড়ালো ৫০০ অসহায় পরিবার নবীনগরে বিএনপির অপপ্রচার ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সম্পৃতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত। নবীনগরে ব্যারিষ্টার জাকির আহাম্মদ কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেবে রাশিয়া বিয়ের পরদিন মেঘনায় ভাসছিল যুবকের মরদেহ প্রেমের টানে এবার জয়পুরহাটে শ্রীলঙ্কান যুবক ইডেনের বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রীরা কৃষিমন্ত্রীর বাসায় এবার গোপনে নয়, আয়োজন করে বিয়ে করবেন শাকিব ৩ স্ত্রী থাকার পরও কিশোরীকে বিয়ের প্রস্তাব, রাজি না হওয়ায় অপহরণ ইভ্যালির সার্ভার খুলছে শিগগিরই, অনলাইনে চালু হবে কেনাবেচা
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন

বাড়ি মালিকের মেয়ের সঙ্গে পরকীয়া, হাতেনাতে ধরা পুলিশ সদস্য

প্রতিনিধির / ১১৮ বার
আপডেট : শুক্রবার, ২৬ আগস্ট, ২০২২
বাড়ি মালিকের মেয়ের সঙ্গে পরকীয়া, হাতেনাতে ধরা পুলিশ সদস্য
বাড়ি মালিকের মেয়ের সঙ্গে পরকীয়া, হাতেনাতে ধরা পুলিশ সদস্য

স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বরিশাল শহরের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন পুলিশ সদস্য কাওছার আহমেদ। সেই বাসার মালিকের মেয়ের সঙ্গে পরিচয় থেকে সখ্যতা। গড়ে ওঠে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক। মেয়ের পক্ষ থেকে বিয়ের চাপ দিলে টালবাহানা শুরু করেন কাওছার। ঘটনার বিস্তারিত পরিবারকে জানালে মেয়ের স্বজনরা কৌশলে তাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নগরীর দক্ষিণ আলেকান্দা এলাকার ওই তরুণীর সঙ্গে বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন কাওছার। নিজেদের মেয়ে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, এটি জানার পর তরুণীর পরিবারও বুঝে উঠতে পারছিল না, ঠিক কী করা উচিত।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) নগরীর বান্দরোড সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর তীরে ত্রিশ গোডাউন এলাকায় কথা বলার জন্য কাওছারকে ডেকে নেন ওই তরুণী। এসময় তরুণীর সঙ্গে তার মা, খালা ও মামাও ছিলেন। সেখানে কাওছারের সঙ্গে তাদের দীর্ঘক্ষণ কথা হয়। তারা কাওছারকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাদানুবাদ হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আশপাশের লোকজন সেখানে জড়ো হয়।

এক পর্যায়ে কীর্তনখোলা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে পালানোর চেষ্টা করেন কাওছার। তরুণীর স্বজনরা স্থানীয়দের সহায়তায় ট্রলার নিয়ে মাঝনদীতে কাওছারকে ধরে ফেলেন। পরে ‘৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে তাকে তুলে দেন কোতয়ালী থানা পুলিশের হাতে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কাওছার বরিশাল জেলা পুলিশ লাইনে সদস্য হিসেবে কর্মরত। তার বাড়ি বরগুনার আমড়াঝুড়ি গ্রামে। চাকরির সুবাদে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বরিশাল শহরের দক্ষিণ আলেকান্দা এলাকায় ওই তরুণীর বাবার বাসায় ভাড়া থাকতেন।

ভুক্তভোগী তরুণীর স্বজনরা জানিয়েছেন, গত জানুয়ারি মাসে ওই ভাড়া বাসায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ওঠেন কাওছার। এরপরই বাড়ি মালিকের মেয়ের সঙ্গে তার পরিচয়। একই সময়ে তরুণীর বিয়ের জন্য পরিবারের সদস্যরা পাত্র খুঁজছিলেন। এ সুযোগে কাওছার তার অবিবাহিত এক সহকর্মীর সঙ্গে তরুণীর বিয়ের কথা বলেন। এ সূত্র ধরেই কাওছারের সঙ্গে তরুণীর পরিচয় থেকে সখ্যতা ও পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা বিভিন্ন স্থানে একাধিকবার ঘুরতেও যান। এক পর্যায়ে কাওছারকে বিয়ের জন্য চাপ দেন পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তরুণী। এতে টালবাহানা শুরু করেন কাওছার। এমনকি তরুণীকে এড়িয়ে চলতেও শুরু করেন।

এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লোকমান হোসেন  জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে কনস্টেবল কাওছার আহমেদকে আসামি করে থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কাওছারকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী তরুণীকে ধর্ষণ সংক্রান্ত পরীক্ষার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Recent Comments

No comments to show.