শিরোনাম:
নবীনগরে শিল্পপতি রিপন মুন্সির স্বপ্নের ফার্মে ঘুরে দাঁড়ালো ৫০০ অসহায় পরিবার নবীনগরে বিএনপির অপপ্রচার ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সম্পৃতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত। নবীনগরে ব্যারিষ্টার জাকির আহাম্মদ কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেবে রাশিয়া বিয়ের পরদিন মেঘনায় ভাসছিল যুবকের মরদেহ প্রেমের টানে এবার জয়পুরহাটে শ্রীলঙ্কান যুবক ইডেনের বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রীরা কৃষিমন্ত্রীর বাসায় এবার গোপনে নয়, আয়োজন করে বিয়ে করবেন শাকিব ৩ স্ত্রী থাকার পরও কিশোরীকে বিয়ের প্রস্তাব, রাজি না হওয়ায় অপহরণ ইভ্যালির সার্ভার খুলছে শিগগিরই, অনলাইনে চালু হবে কেনাবেচা
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে চা শ্রমিকদের মজুরি বাড়ল ৫০ টাকা

প্রতিনিধির / ১০০ বার
আপডেট : শনিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২২
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে চা শ্রমিকদের মজুরি বাড়ল ৫০ টাকা
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে চা শ্রমিকদের মজুরি বাড়ল ৫০ টাকা

চা বাগান মালিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক শেষে চা শ্রমিকদের মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কাল থেকে শ্রমিকদের কাজে যোগ দিতে।

পূর্ব ঘোষণার চেয়ে মজুরি বাড়ল ৫০ টাকা। সঙ্গে আনুপাতিক হারে অন‍্যান‍্য সুবিধা বাড়বে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ‍্যসচিব আহমেদ কায়কাউস। সব সুবিধা মিলিয়ে একজন চা শ্রমিক এখন পান ৪০২ টাকা। নতুন মজুরিতে সেটা সাড়ে ৪শ‘ থেকে ৫শ‘ টাকা পর্যন্ত হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। শনিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে গণভবনে এ বৈঠক শুরু হয়। এতে ১৩ জন মালিক অংশ নিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ‍্যসচিব বলেন, ‘চা শ্রমিকদের আশা প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকদের পক্ষ হয়ে মালিকদের সঙ্গে কথা বলে মজুরি বাড়াবেন। সেটাই তিনি করেছেন। প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল (রবিবার) থেকে সবাই কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি শিগগিরই চা শ্রমিকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে আলোচনা করবেন।’
মজুরি বাড়ানোর দাবিতে টানা ১৮দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন দেশের ২৪১টি চা বাগানের শ্রমিকরা। এরই মধ্যে ঘোষণা আসে আজ শনিবার গণভবনে চা শ্রমিকদের মজুরির বিষয় নিয়ে বাংলাদেশীয় চা সংসদের সঙ্গে বসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর এ সংবাদ শোনার পর মৌলভীবাজারের ৯২টি চা বাগানে গতকাল শুক্রবার কোনো আন্দোলন করেননি চা শ্রমিকরা। তবে কর্মবিরতি অব্যাহত রয়েছে।
এখন চা শ্রমিকদের দৃষ্টি গণভবনের দিকে। তাদের ধারণা মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রধানমন্ত্রী তাদের একটা সুফল এনে দিবেন।
এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল কালিঘাট চা বাগানের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য অনিল তন্তবাই বলেন, আমরা এখন প্রধানমন্ত্রীর দিকেই তাকিয়ে আছি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা জানেন। আমরা ২০০ বছর ধরে যে জায়গায় বসবাস করছি সে জায়গার ভূমি অধিকার আজো পাইনি। সব বাগানে এখনো স্কুল হয়নি।
শ্রীমঙ্গল আমরইল চা বাগানের শ্রমিক জনিস বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের শেষ ভরসার স্থল। প্রধানমন্ত্রীর দিকেই এখন আমরা তাকিয়ে আছি। তিনি বলেন, তাদের বিশ্বাস শনিবারের মিটিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তাদের নিরাশ করবেন না।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Recent Comments

No comments to show.