শিরোনাম:
নবীনগরে শিল্পপতি রিপন মুন্সির স্বপ্নের ফার্মে ঘুরে দাঁড়ালো ৫০০ অসহায় পরিবার নবীনগরে বিএনপির অপপ্রচার ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সম্পৃতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত। নবীনগরে ব্যারিষ্টার জাকির আহাম্মদ কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেবে রাশিয়া বিয়ের পরদিন মেঘনায় ভাসছিল যুবকের মরদেহ প্রেমের টানে এবার জয়পুরহাটে শ্রীলঙ্কান যুবক ইডেনের বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রীরা কৃষিমন্ত্রীর বাসায় এবার গোপনে নয়, আয়োজন করে বিয়ে করবেন শাকিব ৩ স্ত্রী থাকার পরও কিশোরীকে বিয়ের প্রস্তাব, রাজি না হওয়ায় অপহরণ ইভ্যালির সার্ভার খুলছে শিগগিরই, অনলাইনে চালু হবে কেনাবেচা
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন

পিকনিকে দাওয়াত না পাওয়ায় বন্ধুকে কুপিয়ে হত্যা

প্রতিনিধির / ১৩৭ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০২২
পিকনিকে দাওয়াত না পাওয়ায় বন্ধুকে কুপিয়ে হত্যা
পিকনিকে দাওয়াত না পাওয়ায় বন্ধুকে কুপিয়ে হত্যা

দিনাজপুরে বাবু খালাসী (২০) নামে আত্মগোপনে থাকা হত্যা মামলার এক আসামিকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। তাকে আটকের পর মিলেছে চাঞ্চল্যকর হত্যার রহস্য।পিকনিকে দাওয়াত না পাওয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এবাদত মুন্সী নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছিল বাবু ও তার বন্ধুরা। সোমবার (২৯ আগস্ট) সকালে বিরল উপজেলার মুন্সিপাড়া এলাকা থেকে বাবু খালাসীকে আটক করা হয়। র‌্যাবের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তিনি ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানায় র‌্যাব।

আটক বাবু মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানার কাচাবালী (দশ হাজারপাড়া) এলাকার বাসিন্দা। মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানার কবিরাজপুর ইউনিয়নের গুরুজকান্দি গ্রামের আবু জালাল মুন্সীর ছেলে এবাদত মুন্সী হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।

র‌্যাব জানায়, পিকনিক সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে কয়েকজন বন্ধু মিলে এবাদত মুন্সীকে হত্যা করেছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন বাবু। তিনি বিরল উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন বলেও স্বীকার করেছেন।

ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব-১৩ দিনাজপুর ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-১ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাহমুদ বশির আহমেদ জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করে বাবুকে আটক করা হয়। পরে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে এবাদতসহ তার বন্ধুরা মিলে পিকনিকের আয়োজন করে। সেই পিকনিকে দাওয়াত না দেওয়ায় একই ইউনিয়নের কাচাবালি গ্রামের রাকিব, বাবু, রাব্বি, মেজবাহ, জাহিদ, হরিদাসদী ও নাঈমের সঙ্গে বিরোধ বাধে এবাদতের। এর জেরে রাকিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি হুমকিমূলক পোস্ট দেন। সেখানে কমেন্ট করলে এবাদতের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়। পরে ১৫ আগস্ট সন্ধ্যায় এবাদত ও তার চাচাতো ভাই শাহাদাত মুন্সীকে সেই বিরোধ মীমাংসার কথা বলে কবিরাজপুর ছইফ উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের পাশে ডেকে নেন। সেখানে কথা কাটাকাটি হলে একপর্যায়ে তাদের ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যান রাকিব ও তার সহযোগীরা।

এর পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে মাদারীপুর সদর হাসপাতাল নিয়ে যান। সেখান থেকে তাদের ঢাকায় পাঠানো হলে বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) রাতে রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এবাদত মুন্সীর মৃত্যু হয়।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Recent Comments

No comments to show.