শিরোনাম:
নবীনগরে শিল্পপতি রিপন মুন্সির স্বপ্নের ফার্মে ঘুরে দাঁড়ালো ৫০০ অসহায় পরিবার নবীনগরে বিএনপির অপপ্রচার ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সম্পৃতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত। নবীনগরে ব্যারিষ্টার জাকির আহাম্মদ কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেবে রাশিয়া বিয়ের পরদিন মেঘনায় ভাসছিল যুবকের মরদেহ প্রেমের টানে এবার জয়পুরহাটে শ্রীলঙ্কান যুবক ইডেনের বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রীরা কৃষিমন্ত্রীর বাসায় এবার গোপনে নয়, আয়োজন করে বিয়ে করবেন শাকিব ৩ স্ত্রী থাকার পরও কিশোরীকে বিয়ের প্রস্তাব, রাজি না হওয়ায় অপহরণ ইভ্যালির সার্ভার খুলছে শিগগিরই, অনলাইনে চালু হবে কেনাবেচা
শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৪:৫২ অপরাহ্ন

একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম, দুধ কিনতে দ্বারে দ্বারে বাবা

প্রতিনিধির / ১৪০ বার
আপডেট : সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম, দুধ কিনতে দ্বারে দ্বারে বাবা
একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম, দুধ কিনতে দ্বারে দ্বারে বাবা

প্রথম সন্তানের মৃত্যুর আট বছর পর একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দিয়ে খুশি হয়েছিলেন গৃহবধূ মৌসুমি বেগম। পরিবারও ভেসেছিল বাঁধভাঙা আনন্দে। কিন্তু সে আনন্দ যে বিষাদে পরিণত হবে তা হয়তো কেউ ভাবেনি। ক্ষুধার জ্বালায় ১৯ দিনের চার বাচ্চা চিৎকার করে কাঁদতে থাকে। সন্তানদের মুখে আহার তুলে দিতে না পেরে কাঁদেন মা-বাবাও।

এক সঙ্গে চার সন্তানের চিকিৎসা ও দুধ কিনতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছেন শরিফুল ইসলাম। দিনমজুরির উপার্জিত টাকার সঙ্গে প্রতিনিয়ত ধার দেনা করে কিনতে হচ্ছে সন্তানদের খাবার। সংসারের অন্যান্য খরচতো আছেই। এর আগে ৩১ আগস্ট বুধবার দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে চার শিশুর জন্ম হয়। চার শিশুকে লালন-পালনে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন মৌসুমি-শরিফুল দম্পতি।

মৌসুমি-শরিফুলের বিয়ের দুই বছরের মাথায় কোলজুড়ে আসে এক কন্যা সন্তান। জন্মের দিনেই সে সন্তানের মৃত্যু হয়। এরপর সন্তানের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ১০ বছর। গত ৩১ আগস্ট তাদের কোলজুড়ে আসে একসঙ্গে তিন ছেলে এক মেয়ে। সেদিন খুশিতে ভরে গেলেও এখন চার সন্তানসহ তাদের দিন কাটে অনাহারে। চার সন্তান জন্মদিয়ে মৌসুমি বেগম নিজেই পুষ্টিহীন হয়ে পড়েছেন। ফলে ক্ষুধা সইতে না পেরে শিশুরা কান্না করতে থাকে। তাদের কান্নার সঙ্গে সঙ্গে মাও কাঁদেন ডুকরে ডুকরে।

শরিফুল ইসলাম বলেন, জনপ্রতিনিধিরা আশ্বাস দিলেও মেলেনি তেমন কোনো সাহায্য। হাসপাতালে থাকা অবস্থায় নৌ-পরিবহন মন্ত্রী খালিদ মাহমুদ, বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দেওয়া সামান্য টাকা হাসপাতালেই শেষ হয়ে গেছে। এখন তাদের খাবার কেনার জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। মৌসুমি বেগম বলেন, আল্লাহ আমাকে চারটি সন্তান দিয়েছেন। যখন পেটে ছিল তখনকার কষ্ট সন্তান গুলোর মুখ দেখে ভুলে গিয়েছিলাম। এখন তাদের মুখে আহার দিতে না পেরে কষ্ট পাচ্ছি।

এ বিষয়ে বিরল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফছানা কাওছার বলেন, শরিফুল ইসলাম আমার কাছে এসেছিলেন। তাকে সামান্য সহযোগিতা করা হয়েছে। মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড না থাকলে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে একটি কার্ড করে দিতে বলেছি।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Recent Comments

No comments to show.